ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি
  3. আজকের সংবাদ
  4. আজকের-সংবাদ
  5. আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. খেলা
  9. চাকরি
  10. জনদূর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. মুক্তকলম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, এটি প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার : ববি হাজ্জাজ


সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, এটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার। পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থতা, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও শেখার সক্ষমতা বাড়ানোই স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা নিম্নমানের খাবার সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হবে না। এ কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কার্যকর অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) খুলনার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকগণের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না’ এবং ‘প্রতিটি শিশু সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবে’ প্রাথমিক শিক্ষার এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করছে, যা শেখার সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষায় বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে। এই বিনিয়োগের মূল উদ্দেশ্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়; বরং প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা, তার পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে একটি দক্ষ ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলা।

স্কুল ফিডিংয়ে মান নিশ্চিত করার বিষয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো খাবার নিম্নমানের, পচা বা অনুপযুক্ত মনে হলে তা গ্রহণ না করে ফেরত দিতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো অনিয়ম বা নিম্নমানের খাবারের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির তদারকিতে মাদারস কমিটিকে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। বিদ্যালয় পর্যায়ে খাবারের মান, পরিমাণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর অভিভাবকদের নজরদারি বাড়লে অনিয়ম কমবে এবং কর্মসূচির প্রতি জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মতিয়ার রহমান, ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আমিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মো. মাসুদ হোসেন, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত ও খুলনা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক ড. মো. শফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম।

খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার একশত ৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।