ঢাকাশনিবার , ২২ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি
  3. আজকের সংবাদ
  4. আজকের-সংবাদ
  5. আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. খেলা
  9. চাকরি
  10. জনদূর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. মুক্তকলম

অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া ৫ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর


আগস্ট ২২, ২০২৬ ১:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভারতের কলকাতায় ‘শিখা ইন’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া ৫ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মৃতদেহগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও বিজিবি কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

মৃতদেহগুলোর মধ্যে আছেন সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), ছেলে শ্বর্ণশীষ দত্ত (৩), শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬০) ও ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু (৩৭)। এর আগে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের ভোমরা বন্দর দিয়ে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে এবং তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর পরিবারের সম্মতিতে সাতক্ষীরার রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করা হবে।

গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত দুইটার দিকে কলকাতায় নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ নামে একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ৯ ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এর মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন, সাতক্ষীরার দুইজন এবং ঢাকা সাভারের একজন রয়েছে।

কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার দিলীপ দত্তের ছেলে দেবাশীষ দত্ত। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। এর মধ্যে মেয়ে মহিমা দত্তকে (৭) রেখে ৩ আগস্ট তিনি স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে ভারতে যান। দুই দিন পর স্ত্রী, সন্তান শ্বশুরকে নিয়ে কলকাতায় যান দেবাশীষ। প্রথমে তারা কলকাতায় দুই দিন ছিলেন। এরপর স্ত্রী ও ছেলের চিকিৎসার জন্য বেঙ্গালুরুতে যান। গত সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত এগারোটার সময় চিকিৎসা শেষে উড়োজাহাজে করে কলকাতায় ফিরে আসেন তারা। পরে কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ নামে একটি আবাসিক হোটেলে উঠেছিলেন। পরের দিন মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত দুইটার দিকে ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাদের মৃত্যু হয়।

সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত আজকের পত্রিকা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ছিলেন। এ ছাড়া তিনি কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। চিকিৎসার জন্য ১৯ দিন আগে তারা ভারতের কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন। গত বুধবার (১৯ আগস্ট) তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল।

হস্তান্তরের সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ, বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ও আইসিপি বিজিবি ক্যাম্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেবাশীষ দত্তের মরদেহ গ্রহণ করতে বেনাপোল চেকপোস্টে উপস্থিত ছিলেন তার ছোট ভাই সনি এবং স্বজনেরা। দেবাশীষের বাবা দীলিপ দত্ত বেনাপোল আসেননি। তিনি বাড়িতে থেকে কবর খননসহ দাফনের আনুষঙ্গিক কাজ তদারকি করছেন।

অপরদিকে ঢাকা সাভারের বাবু আহম্মেদের মরদেহ গ্রহণ করতে বেনাপোল চেকপোস্টে উপস্থিত ছিলেন তার বড় ভাই মোহাম্মদ আলী। তিনি জানান, গতকাল বিকালে ভাইয়ের লাশ নিতে বেনাপোলে আসি। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার মধ্যে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু ছাড়পত্র জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। আজ শনিবার সন্ধ্যায় আমার ভাইয়ের মরদেহ বুঝে পেয়েছি।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফেরদৌস হোসেন খান জানান, গত মঙ্গলবার রাত দুইটার সময় কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের ৪ জন এবং ঢাকা সাভারের একজন ছিলেন। ওই ৫ জনের মরদেহ আজ দেশে ফিরেছে এবং মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।