আজকের তারিখ : | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রূপসায় বিদ্যালয়ের সামনে স্পিড ব্রেকারের দাবিতে মানববন্ধন ২০২৭ সালের ডেঙ্গু মৌসুমের আগেই টিকা আসার সম্ভাবনা ভারতে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চার স্বতন্ত্র পরিচালকের পদত্যাগ রূপসায় চার কিঃমিঃ সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই ফেটে চৌচির ২ থেকে ৩ হাজার টাকায় স্মার্টফোন দেওয়ার উদ্যোগ সিলেটে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জনের কারণ জানাল মহানগর বিএনপি ডুমুরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ডুমুরিয়ায় উপজেলা পর্যায়ে দলিত সম্মেলন অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের মতবিনিময় সভা, ৭ দফা দাবিতে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির ঘোষণা চট্টগ্রামের বুকে মানবতার নতুন আলো যাত্রা সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড সাতকানিয়ায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ৩ শিশুর চন্দনাইশ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ আসামী গ্রেপ্তার
ad728

১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন ডিবি হারুন

প্রতিবেদকের তথ্য : Dainik Somoy Sangbad
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 16, 2026
  • সংবাদটি দেখেছেন: 25
ছবির ক্যাপশন :

ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের অংশ হিসেবে ভাই এবিএম শাহারিয়ারের নামে ১ হাজার ৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট মিঠামইন সাবরেজিস্ট্রি অফিসে হেবা দলিলের মাধ্যমে ওই জমি ভাইকে দেন তিনি।

দুদকের তদন্তে দুই ভাইয়ের সম্পদের মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র এবং সম্পদের প্রকৃত উৎস গোপন করতে পারস্পরিক যোগসাজশের তথ্য উঠে এসেছে।
হারুনের ছোট ভাই এবিএম শাহারিয়ার প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড অ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। দুদকের তদন্তে তার নামে ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদের মূল্য ৭ কোটি ৮১ লাখ ৪৪ হাজার ৩০৭ টাকা। 

সাভার, রূপগঞ্জ, গুলশান ও কিশোরগঞ্জে তার জমি রয়েছে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড অ্যাগ্রো লিমিটেডে তার বিনিয়োগ ৬ কোটি ১৬ লাখ ৩৫৭ টাকা। অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৮ টাকা। ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ করবর্ষ পর্যন্ত শাহারিয়ারের মোট আয় ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩০৪ টাকা। ব্যয় হয়েছে ১৬ লাখ ৪৭ হাজার ১৭৪ টাকা। ফলে সম্পদ অর্জনের বৈধ উৎস ছিল ৪৮ লাখ ৯০ হাজার ১৩০ টাকা। এর বিপরীতে সম্পদের মূল্য ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টাকা। ফলে ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৫ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ বলে তদন্তে উঠে এসেছে।দুই ভাইয়ের সম্পদের মধ্যে সরাসরি যোগসূত্রও পেয়েছে দুদক। ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট মিঠামইন সাবরেজিস্ট্রি অফিসের হেবা দলিলের মাধ্যমে শাহারিয়ার তার ভাই হারুনের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৫০ শতাংশ জমি পান। ওই সম্পদের মূল্য শাহারিয়ারের মামলায় ধরা হয়নি। হারুনের বিরুদ্ধে করা পৃথক মামলায় তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড
ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728