ঢাকাসোমবার , ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি
  4. আইন-আদালত
  5. আজকের সংবাদ
  6. আজকের-সংবাদ
  7. আদালত
  8. আন্তর্জাতিক
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. খেলা
  11. চাকরি
  12. জনদূর্ভোগ
  13. জাতীয়
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রূপসায় আবারো মরা গরুর গোশসহ স্থানীয় জনতা হাতে আটক-২:

mdnaimuzzamansharifkhan@gmail.com
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ২:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 (খুলনা) প্রতিনিধি : 

রূপসায় মরা গরুর চামড়া ছিলে গোশ বাজারে বিক্রির প্রস্তুতিকালে স্থানীয় জনতা মৃত গরুর গোশসহ রসূল কসাই (৩৫) ও জাহিদ(৩২) নামের দুজনকে আটক করলেও উপজেলা প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে গভীর রাতে ওই গোশসহ আটক ব্যক্তিদের কসাই গ্রুপ এর সদস্যরা ছিনিয়ে নিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত পরশু রাত পৌনে এগারটায় থানাধীন তিলক কুদির গাছতলা নামক স্থানে।

 

আটক কসাই রাসেল জানায়, ফকিরহাট থানাধীন বেতাগা বাজারে একটি গাভী অসুস্থ হয়ে মারা যায়। তখন সে মৃত গরুটি বেতাগা বাজার থেকে কুদির গাছতলার মসজিদের পাশে অবস্থিত একটি বাগানে বসে মরা গরুর চামড়া ছিলে ওই গোশ বাজারে বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শেখ ফিরোজ মাহমুদ রুপসা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক বিকাশ মিত্র সহ স্থানীয় লোকজন তাদেরকে মরা গরুর গোশসহ আটক করে। এরপর তারা রুপসা থানা পুলিশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানালেও প্রশাসনের তরফ থেকে কোন সহযোগিতা মেলেনি। অবশেষে রাত একটার দিকে ইউপি সদস্য ফিরোজ স্থানীয় মহব্বত নামের এক ব্যক্তির কাছে আটক দুই কসাই ও গোশসহ তার জিম্মায় রেখে চলে যান। জিম্মাদার মহব্বত কে একা পেয়ে তার কয়েকজন সহযোগী মিলে ওই পচা গোসসহ চলে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে আরও প্রকাশ এই রাসেল রুপসা থানাধীন বাগমারা গ্রামের রসুলের পুত্র সে গত ৮-১০ দিন পূর্বে একইভাবে মরা গরুর গোশ বিক্রির সময় স্থানীয় জনতার হাতে আটক হয় পরে পুলিশ তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। এরপর পুলিশ কোন এক অদৃশ্য শক্তির বলে তাদেরকে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। আরো অভিযোগ রয়েছে, কসাই রাসেল অধিকাংশ সময় বিভিন্ন হাটবাজারে মৃত গরু সংগ্রহ করে তার চামড়া ছিলে তার গোশ বাজারের মধ্যে ছাপড়া তৈরি করে বিক্রি করে এবং বিভিন্ন হোটেল ব্যবসায়ী সহ খুলনা শহরের বিভিন্ন হোটেলে নির্বিঘ্নে বিক্রি করে আসছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফিরোজ মাহমুদ জানান,থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বারংবার তার মোবাইলে রিং করলেও তিনি জানান, এ বিষয়টি ওনার ইখতিয়ারের বাইরে। এরপর ইউএনওর মোবাইলের রিং করে উনাকে পাওয়া যায়নি সর্বশেষ জানা যায় ইউএনও মহোদয় অসুস্থ থাকার কারণে তিনি স্টেশনে নাই।

অথচ ২০১১ সালের পশু জবাই ও মান নিয়ন্ত্রণ আইনে বলা হয়েছে, মানুষের সাথে প্রতারণা করে গরুর মাংশকে স্বাভাবিকভাবে জবাই করা মাংস হিসাবে বিক্রির অপরাধে পুলিশ ওই প্রতারকের বিরুদ্ধে ৪২০ ধারায় মামলা দায়ের করতে পারেন যার সাজা সাত বছর। একই আইনে বলা হয়েছে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার /এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। সর্বোপরি রানী সম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অথবা ভেটেনারি সার্জন পশু জবাই ও মাংসের নিরাপত্তা বিধান করবেন মর্মে বলা হয়েছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে প্রশাসনের কোন সাহায্য সহযোগিতা না পাওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ ক্ষুব্ধ। আর এভাবেই অপরাধীরা অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে।###

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।